আয়োজনে:
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি)
তারিখ: ৩ অক্টোবর ২০২৪।
‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত পণ্যের মান নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি) এর যৌথ উদ্যোগে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার কারওয়ান বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে অতিথি ছিলেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন ও অর্থনীতিবিদ মুহম্মদ মাহবুব আলী প্রমুখ।

স্থান: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অডিটরিয়াম।
অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ’র সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন বলেন, “বাংলাদেশ কনজিউমার গুডস খাতে বড় বাজার হলেও পণ্য বিক্রেতাদের আন্তর্জাতিক মানের বিষয়টি আমলে নিতে দেখা যায়নি। মানহীন ও ভেজাল পণ্য কিনে ক্রেতারা প্রতারিত হতেন। দীর্ঘদিন পর হলেও ভোক্তা অধিকার ভেজাল রোধে কাজ করছে। ফলে মানুষের মাঝে সচেতনতা বেড়েছে। চাহিদা তৈরি হয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পণ্যের। বেশ কিছু কোম্পানি এখন উন্নত ফর্মুলেশন-গবেষণা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগে এগিয়ে এসছে।“

‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ট্যাগযুক্ত পণ্যের মান বিষয়ক সেমিনারে অতিথিরা।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “বাজার নিম্নমানের কসমেটিকস পণ্যে সয়লাব হলে তা মানুষের জীবনে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে। ভুয়া পণ্য ব্যবহার করে অনেকে এরই মধ্যে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য পরিবারেও দিন দিন আর্থিক সঙ্কট বাড়ছে। এজন্য দেশে বিশ্বমানের কসমেটিকস ও হোমকেয়ার পণ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই। এতে দেশের মানুষের কর্মসংস্থানও বাড়বে। রিমার্ক-হারল্যানসহ যে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষকে গুণগত মান বজায় রেখে অথেনটিক পণ্য দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, ভোক্তা অধিদপ্তরও তাদের পাশে থাকবে।“
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী বলেন, “দেশে প্রসাধনী এবং ব্যক্তিগত যত্নের সামগ্রীর বার্ষিক বাজার এখন প্রায় ৯০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এটি এটি ৮ দশমিক ১ শতাংশ হারে বাড়বে। তবে বাংলাদেশের প্রসাধনী খাত ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভর করে। প্রসাধনী রাসায়নিকের ৯০ শতাংশই আসে বিদেশ থেকে। বিশেষত, মোট আমদানিকৃত কসমেটিক পণ্যের প্রায় ৪১ শতাংশ আসে ভারত থেকে। এ অবস্থার পরিবর্তনে মানসম্মত দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের কোনও বিকল্প নেই।“
এ ছাড়া এফবিসিসিআই, আইবিএফবি, বিএসটিআই, রিমার্ক এলএলসি ইউএসএসহ খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
